বাচ্চার সামনে বই রাখো, রঙিন গল্প শোনাও, তাকে প্রশ্ন করতে দাও।
যখন সে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ প্রকাশ করে, তাকে প্রশংসা করো — এতে আত্মবিশ্বাস
বাড়ে।
স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি জিজ্ঞাসু মন বজায় রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মনে
রেখো, শিশু শেখে “কীভাবে শেখা যায়” সেটি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে।
চখেলনার ভূমিকা মস্তিষ্ক বিকাশে
শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক খেলনা তার
সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
সৃজনশীলতা
হাত–চোখের সমন্বয়
ভাষা বিকাশ
সামাজিক আচরণ
সবকিছুই উন্নত করে।
উদাহরণ:
০–১২ মাস: র্যাটল, কালারফুল টয়, সাউন্ড টয়
১–৩ বছর: বিল্ডিং ব্লক, অ্যালফাবেট টয়, পাজল
৩+ বছর: লেগো, প্রিটেন্ড প্লে (কিচেন সেট/ডক্টর সেট)
অভিভাবকরা কীভাবে সাহায্য করতে পারেন?
শিশুর সঙ্গে কথা বলা, গল্প বলা
বয়স অনুযায়ী নিরাপদ খেলনা দেওয়া
স্ক্রিন টাইম কমানো
শিশুকে স্বাধীনভাবে খেলতে দেওয়া
নিয়মিত বাইরে নিয়ে যাওয়া (সূর্যের আলো, প্রকৃতি শেখা বাড়ায়)
শেষ কথা
শিশুর প্রথম ৫ বছর হলো তার ভবিষ্যৎ বুদ্ধিমত্তা, আচরণ ও শেখার ক্ষমতার ভিত্তি।
এই সময়ে সঠিক পরিবেশ, ভালো খেলনা, সঠিক পুষ্টি এবং অভিভাবকের সময় — সব মিলেই তৈরি হয় একটি সুস্থ, বুদ্ধিমান ও আত্মবিশ্বাসী শিশু।