বাচ্চার সামনে বই রাখো, রঙিন গল্প শোনাও, তাকে প্রশ্ন করতে দাও।
যখন সে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ প্রকাশ করে, তাকে প্রশংসা করো — এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি জিজ্ঞাসু মন বজায় রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মনে রেখো, শিশু শেখে “কীভাবে শেখা যায়” সেটি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে।
চিৎকার, রাগ, চাপ বা ভয় — এগুলো শিশুর মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শান্ত, ভালোবাসায় ভরা পরিবেশে শিশু নিরাপদ বোধ করে, ফলে তার শেখার ক্ষমতা বেড়ে যায়।
প্রতিদিন কিছু সময় পরিবারের সবাই মিলে হাসিখুশি কাটাও — গান শোনা, গল্প বলা, একসাথে খাওয়া— এগুলোই শিশুর মানসিক শক্তি গড়ে তোলে।
শিশুর মস্তিষ্কের যত্ন মানে শুধু তার পড়াশোনা নয় — বরং তার অনুভূতি, খাবার, ঘুম, খেলাধুলা ও সম্পর্ক— সব কিছুর যত্ন।
প্রথম পাঁচ বছর তার ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি করে।
তাই এখন থেকেই শুরু করো ছোট ছোট পদক্ষেপ —
ভালোবাসা, নিরাপত্তা, শেখার আনন্দ আর একটুখানি যত্নই পারে তোমার শিশুর মস্তিষ্ককে সঠিকভাবে বিকশিত করতে।